কখনো তিনি কোম্পানির ব্যবস্থাপনা পরিচালক, কখনো ভাইস চেয়ারম্যান, কখনো কোম্পানি সচিব আবার কখনো স্বত্বাধিকারী। কাগজে-কলমে তিনি পাঁচটি কোম্পানির কর্তাব্যক্তি। তিনি আবদুর রহিম, শেয়ারবাজারে একজন বিনিয়োগকারী। ঢাকার ১৫টি ব্রোকারেজ হাউসে নামে-বেনামে তাঁর ৮০টি বিও (বেনিফিশিয়ারি ওনার্স) হিসাবের সন্ধান মিলেছে।
নিজ নামের বাইরে স্ত্রী বদরুন্নেসা, ভাই জহিরুল ইসলাম, শ্যালিকা সোনিয়া সুলতানাসহ বেশ কয়েকজন নিকটাত্মীয় ও কোম্পানির নামে এসব বিও হিসাব খোলা হলেও বেশির ভাগ হিসাবের সুবিধাভোগী তিনি নিজেই।
পুঁজিবাজারে কারসাজির মাধ্যমে কম সময়ে অধিক মুনাফা তুলে নিতে অভিনব এই পন্থা বেছে নেন আবদুর রহিম। নামে-বেনামে থাকা এসব বিও হিসাবের মাধ্যমে কারসাজি করে পুঁজিবাজারে তালিকাভুক্ত চার কোম্পানির শেয়ার লেনদেন করে তুলে নিয়েছেন কোটি কোটি টাকার মুনাফা। একের পর এক কারসাজিতে সফল হওয়ায় শেয়ারবাজারে সবাই এখন তাঁকে চেনে ‘রহিম বাদশা’ নামে।
নিজ নামের বাইরে স্ত্রী বদরুন্নেসা, ভাই জহিরুল ইসলাম, শ্যালিকা সোনিয়া সুলতানাসহ বেশ কয়েকজন নিকটাত্মীয় ও কোম্পানির নামে এসব বিও হিসাব খোলা হলেও বেশির ভাগ হিসাবের সুবিধাভোগী তিনি নিজেই।
পুঁজিবাজারে কারসাজির মাধ্যমে কম সময়ে অধিক মুনাফা তুলে নিতে অভিনব এই পন্থা বেছে নেন আবদুর রহিম। নামে-বেনামে থাকা এসব বিও হিসাবের মাধ্যমে কারসাজি করে পুঁজিবাজারে তালিকাভুক্ত চার কোম্পানির শেয়ার লেনদেন করে তুলে নিয়েছেন কোটি কোটি টাকার মুনাফা। একের পর এক কারসাজিতে সফল হওয়ায় শেয়ারবাজারে সবাই এখন তাঁকে চেনে ‘রহিম বাদশা’ নামে।